মঙ্গলবার, ২৪ নভেম্বর ২০২০, ০৩:২৫ অপরাহ্ন
ঘোষনা :
জেকে টিভি'র জন্য জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহীরা ছবি ও যোগ্যতাসহ জীবন বৃত্তান্ত (সি.ভি)  পাঠান। ই-মেইল: jktv1401@gmail.com

কুষ্টিয়া রেজিষ্ট্রেশনবিহীন ক্লিনিক সিলগালা

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ৬ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ২২২ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :সার্বক্ষণিক চিকিৎসক ও নার্স না থাকা এবং চিকিৎসা সেবার নামে প্রতারণা করার অভিযোগে শহরের পেয়ারাতলা এলাকায় অবস্থিত গ্রীন মেডিকেল ও ডায়গনস্টিক সেন্টারে সিলগালা করেছে ভ্রাম্যমাণ আদালত।
বৃহস্পতিবার দুপুরে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সহকারী কমিশনার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবু রাসেলের নেতৃত্বে অভিযান চালিয়ে তা সিলগালা করে দেওয়া হয়।
ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ আবু রাসেল বলেন, পেয়ারাতলা এলাকায় গ্রীন মেডিকেল ও ডায়গনস্টিক সেন্টারে চিকিৎসা নীতি উপেক্ষা করে সাধারণ মানুষদের সঙ্গে প্রতারণা করে আসছিল। ডিপ্লোমাধারী নার্স ও সবসময় ডাক্তার ছাড়াই হাসপাতালটি দীর্ঘদিন থেকে পরিচালনা করে আসছিল।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাকালে ডায়াগনস্টিক সেন্টারে অস্ত্রোপচার কক্ষসহ বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে অপরিচ্ছন্ন ও অস্বাস্থ্যকর পরিবেশ পাওয়া যায়। ল্যাবে মেয়াদোত্তীর্ণ টেস্টিং রিএজেন্ট পাওয়া যায়, কিছু রিএজেন্ট খোলা অবস্থায় পাওয়া যায় যা নিয়ন্ত্রিত তাপমাত্রায় রাখার কথা। অপর দিকে হাসপাতালের লাইসেন্স বা কোন প্রকার রেজিস্ট্রার দেখাতে ব্যার্থ হন উপস্থিত কর্মচারী।
তিনি আরও জানান, বিজ্ঞ জেলা ম্যাজিস্ট্রেট এঁর নির্দেশনা মোতাবেক গ্রীন মেডিকেল ও ডায়গনস্টিক সেন্টারে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়।এসময় বিভিন্ন অনিয়মের দায়ে প্রতিষ্ঠানটি একেবারে সীলগালা করে দেওয়া হয়।
আদালতসুত্রে আরও জানা যায়, দুজন রোগী ভর্তি ছিল, ক্লিনিকে ছিলনা কোন ডাক্তার, নার্স বা ল্যাব টেকনিশিয়ান। দুজন রোগীর মধ্যে একজনের সিজার করা হয়েছে, তাও কোন ডাক্তার তার সিজার করেছেন রোগীর ফাইলে বা ফর্মে তার স্বাক্ষর নাই। যা সেবা গ্রহীতাদের অর্থ, স্বাস্থ্য এমনকি জীবনহানির কারণও হতে পারে। এমতাবস্থায় আদালতের নির্দেশে ডায়গনস্টিক সেন্টারটি তালা মেরে সিলগালা করে দেয়া হয়। জেলা প্রশাসন ও সিভিল সার্জন কার্যালয়ের সহায়তায় ভর্তি রোগী দুজনের ২৫০ সজ্জা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসার ব্যাবস্থা করা হয় বলে জানান কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডাঃ সৈয়দ রাকিব হাসান।
এ সময় ক্লিনিকের মালিককে পাওয়া যায়নি।
ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনায় কুষ্টিয়া সিভিল সার্জন কার্যালয়ের মেডিকেল অফিসার ডাঃ সৈয়দ রাকিব হাসান, স্যানিটারি ইন্সপেক্টর, র‍্যাব ১২ এর সদস্যবৃন্দ, বেঞ্চ সহকারীসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
জনগণের সেবা নিশ্চিতকল্পে কুষ্টিয়া জেলা প্রশাসন সর্বদা সচেষ্ট এবং জনকল্যাণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের এ ধরণের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলেও জানান আদালতের বিচারিক।।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....
© All rights reserved © jknewstv.com
Developed By Rinku
themes254654365664
error: Content is protected !!