রবিবার, ২৫ অক্টোবর ২০২০, ০৭:৩৪ পূর্বাহ্ন
ঘোষনা :
জেকে টিভি'র জন্য জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহীরা ছবি ও যোগ্যতাসহ জীবন বৃত্তান্ত (সি.ভি)  পাঠান। ই-মেইল: jktv1401@gmail.com

১৫ টাকায় সার বিক্রি হচ্ছে : কৃষিমন্ত্রী

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৯
  • ২৩৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

নিজস্ব প্রতিবেদক:
কৃষিমন্ত্রী ড. আবদুর রাজ্জাক সংসদে বলেছেন, সার ও বীজ বিতরণে মুনাফার লোভে কিছু ব্যবসায়ী ছোটখাটো অনিয়ম-দুর্নীতি করতে পারে। তবে সারা দেশে স্বাভাবিকভাবেই সার ও বীজ বিতরণ করা হচ্ছে।

ফলশ্রুতিতে বাংলাদেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পন্ন, ফসল উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন সারা পৃথিবীতে বিষ্ময়। সার নিয়ে বিএনপির অস্বাভাবিক দুর্নীতির কারণে ফসল উৎপাদন কমে গিয়েছিল। আওয়ামী লীগ সরকার সারের দাম কমিয়েছে। এখন ১৫ টাকায় সার বিক্রি হচ্ছে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদ অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে কৃষিমন্ত্রী সরকারের পদক্ষেপসহ বিভিন্ন তথ্য তুলে ধরেন। স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরীর সভাপতিত্বে অধিবেশনে প্রশ্ন উত্থাপন করেন সরকার দলীয় সংসদ সদস্য আবু জাহির। জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, বিএনপির দুই মেয়াদে সার নিয়ে অমানবিক দুর্নীতি হয়েছে। সারের দাবি জানালে ১৮ জন কৃষককে গুলি করে হত্যা করা হয়েছে। সার নিয়ে বিএনপির অস্বাভাবিক দুর্নীতির কারণে ফসল উৎপাদন কমে গিয়েছিল।

বিএনপি-জামায়াত জোট ক্ষমতায় থাকাকালে পাঁচ বছরই সারের সঙ্কট ছিল। ২০০৯ সালে আওয়ামী লীগ সরকার ক্ষমতায় আসার পর ৭ জানুয়ারি প্রথম মন্ত্রীসভার বৈঠকে তৎকালিন কৃষিমন্ত্রী মতিয়া চৌধুরী সারের দাম কমানোর এজেন্ডা আনেন। তখন সারের দাম কমানো হয়। বিএনপির আমলে ৭২ টাকার টিএসপি কমিয়ে ২২ টাকা, ৯০ টাকার ডিএসপি কমিয়ে ২৫ টাকা করা হয়। ৬০ টাকার পটাশ কমিয়ে ১৫ টাকা করা হয়। এখনও সেই ১৫ টাকায়ই সার বিক্রি হচ্ছে।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, বর্তমান সরকারের আমলে সারের জন্য কৃষককে মেম্বারের কাছে, ডিলারের কাছে দৌঁড়াতে হয় না। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরে যারা সার বিতরণের সঙ্গে জড়িত, তারা যথেষ্ট সতর্ক আছেন। অভিযোগ উঠেছে, এক শ্রেণীর ব্যবসায়ি প্রতারণা করে। আমি বলবো প্রতারণা অনেক কমে গেছে। যার ফলে কৃষক ঠিক মতো সার ও বীজ পাচ্ছে, উৎপাদন বেড়েছে। গত মৌসুমে আমাদের ধান উৎপাদনের টার্গেট ছিলো ১ কোটি ৪০ লাখ। কিন্তু উৎপাদন হয়েছে ১ কোটি ৫২ লাখ। ছোটখাটো অনিয়ম দুনীতি হতে পারে, ব্যবসায়িরা মুনাফার লোভে এটা করতে পারেন। তবে সারা দেশে স্বাভাবিকভাবেই সার বীজ বিতরণে হচ্ছে।

সরকারী দলের সদস্য আবদুল মান্নানের সম্পুরক প্রশ্নের জবাবে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ধান কাটা এবং ধান লাগানোর জন্য মেশিন ক্রয়ের ক্ষেত্রে সরকার উৎস্য মূল্য ভর্তুকি দেবে। এখন উভয় সঙ্কট হয়ে গেছে। আগে উৎপাদন কম হলে দুর্ভিক্ষ হতো, এখন উৎপাদন বেশি হওয়ায় তা সামলাতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। এবার প্রায় ৪ লাখ টন ধান সরাসরি কেনা হয়েছে। মন্ত্রণালয় থেকে সারাদেশে টিম যাবে, তারা দেখবেন সত্যিকারের চাষীদের কাছ থেকে ধান কেনা হয়েছে কি না। যদি তা না হয় তাহলে জড়িত কর্মকর্তাদের শাস্তির আওতায় আনা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....
© All rights reserved © jknewstv.com
Developed By Rinku
themes254654365664
error: Content is protected !!