বৃহস্পতিবার, ২৪ জুন ২০২১, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
ঘোষনা :
জেকে টিভি'র জন্য জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহীরা ছবি ও যোগ্যতাসহ জীবন বৃত্তান্ত (সি.ভি)  পাঠান। ই-মেইল: jktv1401@gmail.com

দৌলতপুরে আক্ষরিক ভুলের কারনে ৩ হাজার টাকা নিচ্ছে রিফায়েতপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২১ অক্টোবর, ২০১৯
  • ৩৯৮ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

দৌলতপুর প্রতিনিধিঃ-কুষ্টিয়া দৌলতপুর উপজেলার সুনামধন্য মাধ্যমিক বিদ্যালয় দূর্নীতির যেন এক অতুর ঘরে রুপ নিয়েছে জানান এলাকাবাসী ও বিদ্যালয় পরিচালনার ম্যানিজিং কমিটির সদস্যরা। এ বিষয়ে ছাত্র ছাত্রীর অভিভাবক’রা জানান , অনেক পুরাতন এই বিদ্যালয় অনেক সুনামের সাথে চলছিল কিন্তু বর্তমানে বিভিন্ন অনিয়ম দূর্নীতির কারনে শিক্ষা ব্যবস্থা শেষ হওয়ার পথে। ২০২০ সালে রিফায়েতপুর বিদ্যালয় থেকে এস এস সি পরিক্ষা দিবেন ১১০ জন ছাত্র ছাত্রী। কিন্তু কষ্টের বিষয় হল এই বিদ্যালয়ের ১১০ জন পরিক্ষার্থীর মাঝে প্রায়ই জন পরিক্ষার্থীর রেজিষ্ট্রেশনে আক্ষরিক ভুল হয়েছে। আমাদের প্রশ্ন ১১০ জন পরিক্ষার্থীর মাঝে যদি প্রায় জনের নামের আক্ষরিক ভুল হয় কি করে। এই ভুলের দায়ভার কার? শিক্ষক না শিক্ষার্থীর? তার পরেও প্রধান শিক্ষক হোসনেয়ার নিজের ইচ্ছামত ২ হাজার থেকে শুরু করে ৩ হাজার টাকা দাবি করছে আক্ষরিক ভুল সংসদন করার জন্য। আমরা এ বিষয়ে তদন্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থার দাবি করছি। এ বিষয়ে বিদ্যালয় পরিচালণায় ম্যানিজিং কমিটির সভাপতি ফারুক আলম পান্না জানান বিষয়টি আমি প্রথমে জানতাম না। যখন অভিভাবকেরা আমাকে এসে জানাই তখন প্রধান শিক্ষক হোসনেয়ার কে আমি বলেছি বোর্ড নির্ধারিত টাকার বাইরে নিবেন না। কিন্তু আমার কথা তিনি না শুনে নিজের ইচ্ছা মত চেয়েছেন। এ বিষয়ে বিদ্যালয়ে সত্যতা জানতে গেলে প্রধান শিক্ষক হোসনেয়ার’র সামনে বিদ্যালয় পরিচালনা কমিটির ম্যানিজিং কমিটির সদস্যরা সাংবাদিক দের সামনে প্রধান শিক্ষক প্রশ্ন করেন আপনি আগে ছাত্র ছাত্রীর কাছ থেকে পরিক্ষার ফি বাবদ ১০০ টাকা করে বেশি নিয়ে ছিলেন, সেই টাকা কমিটির সিদ্ধান্ত অনুসারে ফেরত দেওয়ার কথা থাকলেও আপনি দেন নাই। পরে আবার সকল,শিক্ষক ও কমিটিকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে টাকা বেশি নিচ্ছেন কেন? প্রধান শিক্ষক প্রশ্নের কোন উত্তর দেন না চুপ করে থাকেন। এ বিষয়ে পরিক্ষার্থীর অভিভাবক’রা জানান, আমরা সকলে মধ্যবৃত্ত পরিবারের লোক আমরা শুনেছি, এই নাম সংসদন করতে ৮ শত টাকা লাগবে কিন্তু প্রধান শিক্ষক আমাদের কাছ থেকে ২ হাজার থেকে ৩ হাজার টাকা চেয়েছে। এ বিষয়ের তদন্ত করে বিচার দাবি করছি। এ বিষয়ে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার সর্দার মোহাম্মদ আবু সালেক জানান, আক্ষরিক ভুল হলে আমার জানামতে ৮৮০ টাকা লাগতে পারে ২/৩ হাজার না।এই ধরনের কোন অভিযোগ পেলে অব্যশই তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....
© All rights reserved © jknewstv.com
Developed By Rinku
themes254654365664
error: Content is protected !!