শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২০, ০৯:০৩ পূর্বাহ্ন
ঘোষনা :
জেকে টিভি'র জন্য জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহীরা ছবি ও যোগ্যতাসহ জীবন বৃত্তান্ত (সি.ভি)  পাঠান। ই-মেইল: jktv1401@gmail.com

ব্যাংক কর্মকর্তা জমির কোটি টাকা আত্মসাৎ।

Reporter Name
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ৯ ডিসেম্বর, ২০১৯
  • ১৬৭ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

মনিরুজ্জামান : গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয় কর্তৃক বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়ন্ত্রণাধীন সোনালী ব্যাংক লিমিটেড এর কুষ্টিয়া জেলার দৌলতপুর উপজেলা শাখার জুনিয়র অফিসার জমির উদ্দিনের বিরুদ্ধে পে-অর্ডার জালিয়াতির মাধ্যমে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ পাওয়া গেছে । স্থানীয় সূত্রে জানা যায় ব্যাংক কর্মকর্তা জমির দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন ভাবে ব্যাংক গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করে হাতিয়ে নিয়েছে বিপুল পরিমাণ অর্থ, নামে-বেনামে প্রচুর অর্থ-সম্পদের মালিক বনে গেছে বলে অভিযোগে জানা যায়,দৌলতপুর উপজেলার দৌলতপুর মৌজা ও হুগোলবাড়িয়া মৌজায় তার নিজ নামে রয়েছে প্রায় ৪০ বিঘা জমি তথ্যানুসন্ধানে জানা যায়।
এখানেই শেষ নয় অনুসন্ধান করলে বেরিয়ে আসবে আরো না জানা অনেক তথ্য। জমির উদ্দিনের বাড়ি ব্যাংকপাড়া_ বাজুডাঙ্গা হওয়ায় স্থানীয় প্রভাবশালী ক্যাডার বাহিনীর সমন্বয়ে গড়ে তুলেছে এক ভয়ানক সিন্ডিকেট ,পূর্বপরিকল্পনা করে এই চক্র টি হাতিয়ে নেয় ভুয়া পে-অর্ডারের মাধ্যমে প্রায় কোটি টাকা ,অভিযোগে আরও জানা গেছে দীর্ঘদিন ধরে এই ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল জমির উদ্দিন। পাশের উপজেলা ভেড়ামারায় বদলি করা হলে দুর্নীতিবাজ জমির উদ্দিন তার সিন্ডিকেট চক্রের সাথে কৌশল অবলম্বন করে তার স্বাক্ষরিত পে-অর্ডার হাতে ধরিয়ে দিয়ে প্রায় কোটি টাকা হাতিয়ে নেয় উপজেলার বাজু ডাঙ্গা গ্রামের মৃত জামিরুল ইসলামের বড় ছেলে সোহেল রানা কাছ থেকে ,সোহেল রানা উপজেলা শাখা সোনালী ব্যাংকে পে অর্ডার ভাঙাতে গেলে জালিয়াতি হিসেবে প্রমাণিত হয় জমির উদ্দিনের স্বাক্ষরিত ওইসব পে অর্ডার গুলো। এই বিষয়ে ব্যাংক কর্মকর্তা জমির উদ্দিনের কাছে জানতে চাইলে তিনি বলেন কাউকে কিছু বলার দরকার নেই ,দুই দিনের মধ্যে এটা সমাধান হয়ে যাবে। তিনি বলেন আমি দ্রুত সমাধান করে দেবো এইসব ব্যাংক কর্মকর্তা জমির ২৭ নভেম্বর ভেড়ামারা উপজেলা সোনালী ব্যাংকে যোগদান করে, একজন ব্যাংক কর্মকর্তা পে অর্ডার ব্যবসা দীর্ঘদিন ধরে করে আসছে সোনালী ব্যাংকের আনসার সদস্যসহ বিষয়টি নিশ্চিত ভাবে অনেকেই জানেন । সংশ্লিষ্ট সোনালী ব্যাংকের ঝাড়ুদার আনজিরা কিছুদিন পূর্বে ব্যাংক কর্মকর্তার জমিরউদ্দিনের বাসায় থেকে পে অর্ডার নিয়ে আসে সোনালী ব্যাংকের সিসি ক্যামেরার ফুটেজ পর্যবেক্ষণ করলেই উক্ত বিষয় সম্পর্কে পরিষ্কার ভাবে জানা যাবে বলে দাবি ভুক্তভোগীদের । সচেতন মহল মনে করেন সঠিক তদন্ত করলে বেরিয়ে যাবে মাস্টারমাইন্ড থাকা জালিয়াতির মহানায়ক কে বা কারা।
এখানেই শেষ নয়, এই দুর্নীতিবাজ সুদখোর ব্যাংক কর্মকর্তা জমির উদ্দিন বেশ কিছু দিন পূর্বেপ্রাইমারি শিক্ষকের সাথে চেকের ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছিল পচামাদিয়াগ্রামের রোজিমুদিন শিক্ষকের সাথে। ব্যাংক কর্মকর্তার প্রতারণার শিকার হয়ে বর্তমানে কুষ্টিয়া জেলা কারাগারে জীবন যাপন করছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা যায়। পে অর্ডার জালিয়াতির বিষয়েগত, ৪/১২/২০১৯ইঅর্থ মন্ত্রণালয় সিনিয়র সচিব আসাদুল ইসলাম এর বরাবর একখানা লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন সোহেল রানা। সোনালী ব্যাংকে জুনিয়র অফিসার জমির উদ্দিন এর কাছে টাকা আত্মসাতের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না। সিনিয়র প্রিন্সিপাল অফিসার ওবায়দুর রহমানের কাছে পে অর্ডার জালিয়াতির মাধ্যমে প্রায় কোটি টাকা আত্মসাতের সম্পর্কে জানতে চাইলে তিনি বলেন পে অর্ডার অথরাইজড অফিসার জমির উদ্দিন তিনি যদি অপরাধী হন তাহলে তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....
© All rights reserved © jknewstv.com
Developed By Rinku
themes254654365664
error: Content is protected !!