ঘোষনা :
জেকে টিভিতে আপনাকে স্বাগতম , সর্বশেষ সংবাদ ওভিডিও পেতে জেকে টিভির সাথে থাকুন ।  
সংবাদ শিরোনাম :
কুষ্টিয়ায় আইডিএলসি’র সৌজন্যে বিনামূল্যে চক্ষু সেবা প্রদান সাদুল্যাপুরে স্কুলছাত্রী নিখোঁজের ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন রাণীশংকৈলে গরু ব্যবসায়ী হত্যায় জড়িত থাকার দায়ে ৫ আসামী গ্রেফতার কুষ্টিয়া জরিপে সবার শীর্ষে প্রতিদিনের কুষ্টিয়া অনলাইন নিউজ। মুজিববর্ষে সন্ত্রাসী মোদিকে বাংলাদেশে অবাঞ্ছিত ঘোষণার দাবিতে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন কুষ্টিয়ায় চিত্রাংকন হাতের সুন্দর লেখার প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণ কুমারখালী উপজেলা ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক রশি পারভেজের উপর সন্ত্রাসী হামলা। প্রত্যয় যুব সংঘের উদ্দোগ্যে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত কুষ্টিয়ায় র‍্যাবের অভিযানে ১ জন ভূয়া র‍্যাব গ্রেফতার দৌলতপুরে ফেনসিডিলসহ মাদক ব্যবসায়ী আটক
পুরাতন খবর খুজছেন ?

গাইবান্ধায় ইরি-বোরো রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা

  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৩ ফেব্রুয়ারী, ২০২০
  • ২০ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

গাইবান্ধা প্রতিনিধি ঃ শীত আর ঘন কুয়াশা উপেক্ষা করে গাইবান্ধায় শুরু হযয়েছে ইরি-বোরো চাষাবাদ। শীতে ইরি-বোরোর চারা নষ্ট হলেও রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। কৃষকদের অভিযোগ, শীতের কারণে মাঠে কাজ করতে বেশি টাকা চাচ্ছেন শ্রমিকরা। মৌসুমের শুরুতেই বেড়ে গেছে ধান চাষের উৎপাদন খরচ। খরচ বাড়লেও চাহিদা অনুযায়ী নেই কৃষকের ধানের দাম। বছর বছর উৎপাদন খরচ বাড়লেও বাড়ে না ধানের দাম। উল্টো কমে যায়। এজন্য হতাশ কৃষকরা। তবে জেলা কৃষি বিভাগ বলছে, শীতের কারণে ইরি-বোরোর চারা নষ্ট হলেও সংকট হবে না। এবারও ইরি-বোরোর চাষ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। শ্রমিক ও উৎপাদন খরচ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বাড়ছে ধানের দামও।সরেজমিনে দেখা গেছে, গাইবান্ধার সাত উপজেলায় পুরোদমে ইরি-বোরো চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। কেউ জমি চাষ দিয়ে প্রস্তুত করছেন, কেউ বীজ তুলছেন আবার কেউ চারা লাগাচ্ছেন। কৃষকরা জানিয়েছেন, জমি চাষ, সার, কীটনাশক, শ্রমিকদের মজুরি ও সেচের পানিসহ সব কিছুর দাম বেশি। উৎপাদন খরচ অনুযায়ী ধানের দাম কম। গত বছর দুবার বন্যার সঙ্গে যুদ্ধ করে ভালো ফলন হলেও মেলেনি উপযুক্ত দাম। বাঁচার তাগিদে শীত ও সব খরচ উপেক্ষা করে ইরি-বোরোর চাষ করছেন কৃষকরা।

পলাশবাড়ী উপজেলার মহদীপুর গ্রামের কৃষক আব্দুর রশিদ বলেন, ভালো ফলনের আশায় শীত ও উৎপাদন খরচ উপেক্ষা করে কঠোর পরিশ্রম করছি আমরা। এরপরও ধান বিক্রির সময় উপযুক্ত দাম থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। এখন ধান চাষ করে উৎপাদন খরচই ওঠে না।
গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার মহিমাগঞ্জ ইউনিয়নের কৃষক আবু তালেব বলেন, ধান চাষ করে ছেলে-মেয়ের লেখাপড়ার খরচ ও সংসার চালানো এখন খুবই কষ্টকর। কারণ সরকারিভাবে লটারিতে ধান কেনা হলেও ন্যায্য দাম পাই না আমরা। নির্দিষ্ট ধান চাষিদের তালিকা না করে একসঙ্গে সব কৃষক ও চাষির অংশগ্রহণে লটারি করা হয়। এতে বেশিরভাগ চাষি ধান বিক্রি থেকে বঞ্চিত হন।সদর উপজেলার রামচন্দ্রপুর গ্রামের চাষি আব্দুল মমিন বলেন, হাড় কাঁপানো শীত আর কুয়াশাযুক্ত মাঠে কাজ করতে বেশি টাকা নিচ্ছেন শ্রমিকরা। প্রতি বস্তা ইউরিয়া সারের দাম ৮০০ টাকা, জমিতে সেচ দিতে খরচ ১৫০০ থেকে দুই হাজার টাকা, বীজ বোপন, চারা রোপণ ও জমিতে চাষ দিয়ে অতিরিক্ত খরচ নেয়া হয়। বোরো মৌসুমের শুরুতেই বেড়ে গেছে উৎপাদন খরচ। ধান কাটার সময় দেখা যাবে বাজারে দাম নেই। তখন আমাদের সব কষ্ট মাটি হয়ে যায়।সদর উপজেলার সাহাপাড়া ইউনিয়নের কৃষিশ্রমিক বলেন, শীত আর কুয়াশায় মাঠে কাজ করা অনেক কষ্টকর। সংসার চালানোর তাগিদে কাজ করতে হয়। তবে শ্রমিকদের দাম বেশি। আগের মতো শ্রমিক পাওয়া যায় না।গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মাসুদুর রহমান বলেন, এ বছর এক লাখ ৩০ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বোরো চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। শীতের কারণে ইরি-বোরোর চারা নষ্ট হলেও সংকট হবে না। এবারও ইরি-বোরোর চাষ লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাবে। তিনি বলেন, শ্রমিক ও উৎপাদন খরচ বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে বেড়েছে ধানের দামও। কাজেই কৃষকদের হতাশ না হয়ে বোরো চাষ অব্যাহত রাখার পরামর্শ দেন তিনি

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....

সাদুল্যাপুরে স্কুলছাত্রী নিখোঁজের ঘটনায় বিক্ষোভ মিছিল ও মানববন্ধন

© All rights reserved © jknewstv.com
Design & Developed BY Anamul Rasel