মঙ্গলবার, ২৭ অক্টোবর ২০২০, ০৬:৪৭ অপরাহ্ন
ঘোষনা :
জেকে টিভি'র জন্য জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহীরা ছবি ও যোগ্যতাসহ জীবন বৃত্তান্ত (সি.ভি)  পাঠান। ই-মেইল: jktv1401@gmail.com

কুষ্টিয়ায় ভিজিডি কার্ড হওয়ার ১৩ মাস পরে সন্ধান পেল ভুক্তভোগী, ১২ বস্তা চাউল উধাও

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :
  • আপডেট টাইম : শুক্রবার, ২৪ এপ্রিল, ২০২০
  • ১০১ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

 

কুষ্টিয়ার দৌলতপুর উপজেলার খলিসাকুন্ডি ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের কাউসার খন্দকার এর স্ত্রী মদিনা খাতুন এর ভিজিডি কার্ডের ১২ বস্তা চাউল উধাও হওয়ার অভিযোগ উঠেছে।

সংবাদকর্মীরা অনুসন্ধানে গেলে বেরিয়ে আসে আসল তথ্য ২০১৯ সালের ১১ ই মার্চ মদিনা খাতুন এর নামে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মহিলা ও শিশু মন্ত্রণালয় কর্তৃক মাসে ৩০ কেজি খাদ্যশস্যের ভিজিডির কার্ড হয় কার্ড নম্বর ৭১। কিন্তু দুঃখজনক হলেও সত্য এই কার্ড হওয়ার ব্যাপারে কিছুই জানতেননা ভুক্তভোগী মদিনা।

এদিকে তার ওই কার্ড ব্যবহার করে ১২ মাসের ৩০ কেজি করে খাদ্যশস্য উত্তোলন করে নিয়েছে একটি মহল। যেহেতু কার্ডের স্বত্বাধিকারী মদিনা নিজেই জানিনা তার কার হওয়ার ব্যাপারে। তাহলে কোথায় গেল এই ১২ মাসের খাদ্যশস্য?এমনই প্রশ্ন এলাকার সচেতন মানুষের।

ভুক্তভোগী মদিনা খাতুন জানান, ২০১৯ সালের প্রথমের দিকে স্থানীয় মহিলা মেম্বার আমাকে ভিজিডি চাউলের কার্ড করে দেওয়ার কথা বলে। আমি তার কথা অনুসারে আমার ছবি এবং ভোটার আইডি কার্ড তার কাছে দিয়েছিলাম। কিন্তু অনেক দিন পার হলেও আমার নামে কোনো কার্ড হয়নি বলে জানান তারা।

পরে আমাদের এলাকার যাদের নামে কার্ড হয়েছে তারা চাউল উত্তোলন করতে গিয়ে দেখে মদিনা কাউসার নামে একটি কাঁদে চাউল উত্তোলন হচ্ছে শুনে আমি ইউনিয়ন পরিষদে খোঁজ নিলে আবার ইউনিয়ন পরিষদ থেকে আমাকে জানানো হয় আমার নামে কোন ভিজিডির চাউলের কার্ড হয় নাই ।

কিন্তু আজ যখন করোনা পরিস্থিতিতে দেশের বিভিন্ন জায়গায় বিভিন্ন অপকর্মের কারণে চেয়ারম্যান মেম্বার আটক হতে শুরু করেছে হঠাৎ করে তখন, ১২ মাসে ১২ বার যে কার্ডে চাউল উত্তোলন করা হয়েছে সেই কার্ড ৭ নং ওয়ার্ড মেম্বার মনিরুল আমার কাছে পৌঁছে দিচ্ছে।

মেম্বার বলছেন আপনার কার্ডটি ইউনিয়ন পরিষদে পড়েছিল খোঁজখবর নেননি এই নেন কার্ড রাখেন। মদিনা খাতুন আরও জানান, আমি নিজ নাম স্বাক্ষর করতে জানি। কিন্তু এই কার্ডে ১২ বার চাউল উঠেছে টিপসহি দিয়ে, আমার চাউল গেল কোথায়? আমি এটার তদন্ত করে বিচার দাবি করছি।

এ বিষয়ে মদিনার ছেলে জানান, আমাদের এলাকায় যাদের নামে কার্ড হয়েছে তারা চাউল উত্তোলন করতে গিয়ে দেখেন মদিনা স্বামী কাউসার একটি কার্ডে চাউল উত্তোলন হচ্ছে । এমন সংবাদ পেয়ে ইউনিয়ন পরিষদে খোজ নিলে তারা আমার সাথে খারাপ ব্যবহার করে।

আজ যখন বিভিন্ন স্থানে সরকার ব্যবস্থা নিচ্ছে ভয়ে মেম্বার ১২ বার চাউল উত্তোলন করা কার্ড আমাদের দিয়ে যাচ্ছে। তাহলে ১২ মাসের চাউল গেলো কোথায়? আমি এই বিষয়ের তদন্ত করে বিচার চাচ্ছি। ওই এলাকার ভিজিডির কার্ডধারি অন্য ব্যক্তিদের কছে জানতে চাইলে ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

এ বিষয়ে মনিরুল মেম্বারের সাথে মুঠোফোনে যোগাযোগ করলে, প্রথমে কথা বললে ও পরে কথা বলতে অস্বীকৃতি জানায়, বলেন চেয়ারম্যান এর নিষেধ আছে কথা বলা যাবেনা।

খলিসাকুন্ডি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সিরাজুল ইসলাম জানান, বিষয়টি জানা ছিলনা আমি দেখছি কি করা যায়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার শারমিন আক্তার জানান, আপনাদের কাছে থেকে প্রথম শুনলাম, তদন্ত করে আইন আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....
© All rights reserved © jknewstv.com
Developed By Rinku
themes254654365664
error: Content is protected !!