মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২০, ০৩:২৮ পূর্বাহ্ন
ঘোষনা :
জেকে টিভি'র জন্য জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহীরা ছবি ও যোগ্যতাসহ জীবন বৃত্তান্ত (সি.ভি)  পাঠান। ই-মেইল: jktv1401@gmail.com

কুষ্টিয়া মিরপুর উপজেলার আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের বার বার নির্বাচিত জননন্দিত চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে করা ষড়যন্ত্র রুখে দিলেন আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন বাসী

জীবন মাহমুদ ডাবলু, স্টাফ রিপোর্টারঃ
  • আপডেট টাইম : শনিবার, ১৩ জুন, ২০২০
  • ২৫৬ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

 

কুষ্টিয়া জেলার মিরপুর উপজেলার আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের বার বার নির্বাচিত জননন্দিত চেয়ারম্যান আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন বাসীর আস্তার প্রতীক মশিউর রহমান মিলনের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র লিপ্ত হয়েছে একটি কুচক্রী মহল। আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মশিউর রহমান সাথে এ বিষয়ে কথা বললে তিনি বলেন, আমার বড় ভাই মালেশিয়ার সিটিজেন শীপ পাওয়াই আমি ১৯৯৬ সালের ২৪ অক্টোবর থেকে ২০০২ সালের নভেম্বর মাস পর্যন্ত মালেশিয়া অবস্থান করি। সে সময় পুলিশের অত্যাচার ও সিরাজ বাহীনীর ভয়ে আমি দেশে আসতে পারিনি। ২০০২ সালে আমি দেশে আসার পরে হালসা আর্দশ মহিলা কলেজের শিক্ষক নিয়োগ সংক্রান্ত বিষয়ে নিয়ে তখনকার এম পি অধ্যাপক শহীদুল ইসলামের সাথে আমার মন মালিন্য হয়। তখন আমি ক্ষোভ ও দুঃখ নিয়ে ২০০৩ সালের আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে ক্ষমতাসীন বিএনপির প্রার্থীর বিপক্ষে সতেন্ত্র ভাবে নির্বাচন করে প্রচুর ভোটে আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। তিনি আরো বলেন আমি আমবাড়ীয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হওয়ার পর আমি দেখতে পাই আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন বাসী সন্ত্রাসীদের ভয়ে ঘরে থাকতে পারেনা। আমি তখন আমার ইউনিয়নবাসীদের সাথে নিয়ে ৬ মাসের মধ্যে সন্ত্রাস দমন করতে সক্ষম হয়। তার পর দেখতে পায় আমার হত দারিদ্র্য ইউনিয়ন থেকে প্রায় ৫ – ৬শ মানুষ কামলার কাজে যায় তখন আমি আমার ইউনিয়ন বাসীকে স্বাবলম্বী করতে পাশের ইউনিয়ন থেকে নিজেস্ব অর্থয়ানে ১৮৫ বিঘা জমি লিজ নিয়ে আখের চাষ করে , আমার ইউনিয়ন দারিদ্র মানুষকে কাজ করতে সাহায্যে করি। কাজ করার সুযোগ দারিদ্র্য মানুষ গুলোর জমানো টাকা দিয়ে আমার মাধ্যমে ২০০৬ সালে প্রথম সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী সর্বোচ্চ ১লক্ষ ২৫ হাজার টাকা মাধ্যমে প্রায় ৫- ৬শ আমার ইউনিয়নের বেকার যুবকদের মালেশিয়াই পাঠায় আজ তারা সবাই সাবলম্বী। এরপরে ২০০৯ সালে আমি দেখতে পায় আমার ইউনিয়নের কিছু যুবক উশৃংখল হয়ে যাচ্ছে তাই এই যুবকদের সুস্থ ধারায় ফিরাতে ১লক্ষ ৮০ হাজার টাকার মাধ্যমে বাংলাদেশের নীতিমালা মেনে ২০০ যুবকদের বিদেশ পাঠাই। আজ তারা সবাই বৈধ ভাবে সাবলম্বী। ২০১০ সালের দিকে ইরাক ও মালেশিয়াই লোক নেওয়া বন্ধ হয়ে যায়। সে সময় ৮- ১০ জন ছেলে আর যেতে পারেনা। এই বন্ধ হওয়ার কারনে আমার টাকা সহ প্রায় কোটি টাকা অফিসে আটকিয়ে যায়। আমি এখন পর্যন্ত ১টি টাকাও অফিস থেকে উদ্ধার করতে পারিনাই। এরপরেও আমি এই সব ছেলেদের টাকা অল্প অল্প করে পরিশোধ করে আসছি। আনুমানিক এখন সকলের হিসাব অনুযায়ী আমার কাছে ১৫-১৬ লক্ষ টাকা পাবে আমি আগামী ৬মাসের মধ্যে এই টাকা পরিশোধ করতে সক্ষম হব। তিনি বলেন আমার ১৪ বছর চেয়ারম্যান মেয়াদের আমার ইউনিয়নের ১৭ টি গ্রামের মধ্যে একটি পরিবারও আমার ইউনিয়ন পরিষদ নিয়ে কোন খারাপ মন্তব্য করবেনা। তবে যারা আমার সাথে নির্বাচন করে পরাজিত হয়েছে। তারা আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র লিপ্ত হয়েছে। তিনি আরো বলেন আমি দ্বিতীয় মেয়াদে মহাজোটের শরীক জাসদের প্রার্থী মশাল প্রতীক নিয়ে নির্বাচন করে আমার গ্রামের চার জন প্রার্থীকে পরাজিত করে আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন বাসীর দেওয়া প্রচুর ভোটে ২য় বারের মত আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান নির্বাচিত হই। তিনি চেয়ারম্যান থাকাকালীন আমবাড়ীয়া ইউনিয়নের উন্নয়নের চিত্র গুলো তুলে ধরেন।

হালসা বালিকা বিদ্যালয় সহ ভবন নির্মাণ।
হালসা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দোত্বলা ভবন নির্মাণধীন।
হালসা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ভবন নির্মাণ।।
হালসা আর্দশ ডিগ্রী কলেজের অডিটোরিয়াম ভবন।
আমবাড়ীয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের দোতলা ভবন।
ভেদামাড়া আলিয়া মাদ্রাসার ৪ত্বলা ভবন নির্মাণ।
হালসা আর্দশ ডিগ্রি কলেজের লাইব্রেরিয়ান ভবন নির্মাণ।
হালসা বাজার সংলগ্ন গোরস্তানের লাশ রাখা জানাজার ঘর ও গেট নির্মাণ।
নিজেস্ব অর্থায়নে গোরস্থানে মধ্যে ৫০০ শত পিচ মেহেগুনি গাছ রোপন।
গোরস্থানে লাশ নিয়ে যাওয়ার জন্য রাস্তা নির্মাণ আমবাড়ীয়া ইউনিয়নের ১৭ কিলোমিটার পিজ ঢালা রাস্তা নির্মাণ।
আমবাড়ীয়া ইউনিয়নের অসহায়, দুস্হ ৮০ ভাগ মানুষের মাঝে বিধবা ভাতা, বয়স্ক ভাতা, মাতৃকালীন ভাতা ও প্রতিবন্ধী ভাতা প্রদান।
১৩০০ পরিবারকে আমার বাড়ি, আমার ঘর সমিতির আওতায় আনা।
সরকারি প্রকল্পে ২০ টি পরিবারের ঘর নির্মান করে দেওয়া।
৩০০ টি পরিবারের মাঝে টিউবওয়েল স্থাপন।
কোভিড ১৯ করোনা মহামারিতে সরকারি অর্থয়ান, বিভিন্ন প্রতিষ্টান ও নিজেস্ব অর্থায়নে ২৮০০ অসহায় ও কর্মহীন মানুষের মাঝে খাদ্য সামগ্রী বিতরন।
কোভিড ১৯ করোনা মহমারিতে আমবাড়ীয়া ইউনিয়ন বাসীকে সঙ্গে নিয়ে সামাজিক নিরাপত্তা মেনে ৯০ ভাগ মানুষের মাক্স পরিধানের ব্যাবস্থা।
সাফল্য হিসাবে আমবাড়ীয়া ইউনিয়নে।১৪ বছর ধরে মানুষ কে সেবা দিতে পেরে আমি খুবই আনান্দীত এবং আগামী তে ও মানুষ কে সেবা করে জেতে চাই। তারিখ-১২/০৬/২০২০ইং

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....
© All rights reserved © jknewstv.com
Developed By Rinku
themes254654365664
error: Content is protected !!