শুক্রবার, ০৪ ডিসেম্বর ২০২০, ১১:২১ পূর্বাহ্ন
ঘোষনা :
জেকে টিভি'র জন্য জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহীরা ছবি ও যোগ্যতাসহ জীবন বৃত্তান্ত (সি.ভি)  পাঠান। ই-মেইল: jktv1401@gmail.com

ঔষধী শরবত বেচে চলে সয়নের সংসার

 হিলি (দিনাজপুর) প্রতিনিধি :
  • আপডেট টাইম : বৃহস্পতিবার, ১৮ জুন, ২০২০
  • ৬৫ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

আটাপাড়া রেলগেটে পুরনো আম গাছের তলায় হরেক রমক ঔষধী গাছ-গাছরা দিয়ে শরবত তৈরি করছেন শ্রী সয়ন চন্দ্র বর্মন। তার শরবত পান করে সবাই উপকৃত হচ্ছেন। শরবত বেচে চলে সয়নের সংসার।

দিনাজপুরের হিলি আটাপাড়া রেলগেটে দীর্ঘ ২০ বছর ধরে সয়নের শরবতের দোকান। সকাল ৮ থেকে শুরু রাত ১০ টা পর্যন্ত তার বেচেকেনা। দিনাজপুর-জয়পুরহাটে প্রায় সবাই তাকে চিনে এবং জানে তার কাছে ঔষধী শরবত পাওয়া যায়। তার কাছে তিন মুল্যে শরবত পাওয়া যায়, ১০ টাকা ২০ টাকা ও ৩০ টাকা গ্লাস। একটা গোটা এ্যলোভেরা (ভৃত্তিকাঞ্চন) দিয়ে তৈরি ৩০ টাকা,অর্ধেকটা দিয়ে ২০ টাকা ও তিন ভাগের একভাগ দিয়ে ১০ টাকা। শরবতে এ্যলোভেরা (ভৃত্তিকাঞ্চন) সাথে যে সব ঔষধী গাছ-গাছরা দেন সয়ন চন্দ্র, আমলকি, বয়রা, হর্তকি, তাল মাখনা,জংলা তিল,বেলের সুর,হিমুল দানা,অর্জুনের ছাল,শতমুল ও বির্জমুলের পাউডার,কোকমা দানা, চিরোতা,শিমুলের পাউডার ও আঁখের দানা গুড়। এই সব ঔষধী শরবত খেয়ে সবাই উপকৃত হয়। তাই স্থানীসহ বাস-ট্রাকের ড্রাইভার, হেলপারসহ যাত্রীরা সয়নের শরবত খেয়ে যায়।

খুলনার একজন ট্রাকচালক গাড়ি থেকে নেমে তার দোকানে শরবত খেতে আসলে তার সাথে কথা হয়। তিনি বলেন, ঔষধী শরবত শরীরের উপকারের জন্য সব সময় আমি খেয়ে থাকি। তবে উত্তরবঙ্গে আসলে এই হিন্দু দাদার দোকানের শরবত খাই। তার শরবতে অনেক প্রকার ঔষধী গাছ-গাছরা মিশানো থাকে,যা শরীরের জন্য খুব উপকারী।

আটাপাড়া গেটের হোটেল মালকি রেজাউল করিম বলেন, প্রতিদিন সন্ধ্যায় আমি এক গ্লাস করে শরবত পান করি। এটা আমার দীর্ঘদিন ধরে খেতে খেতে অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। তারপরও এই ঔষধী শরবত খেয়ে আমি অনেক শারীরিক উপকার পাই।

কথা হয় ঔষধী শরবত বিক্রেতা শ্রী সয়ন চন্দ্র বর্মনের সাথে। তিনি বলেন, আমার ঔষধী শরবত বিভিন্ন জাতের ঔষধী গাছ-গাছরা দিয়ে তৈরি করি। এই সব গাছ-গাছরা মানুষের দেহে অনেক উপকার করে থাকে। বিশেষ করে গ্যাষ্টিক, আমাশা, পেট ফাপা, বদহজম, পেটের যাবতীয় সমস্যা,শরীর দুর্বলতাসহ একাধি উপকার করে থাকে।
তিনি আরও জানান, দেশে করোনার প্রভাবে আগের মত বেচাকেনা নেই দাদা। আগে প্রতিদিন ১৫০ থেকে ২০০ গ্লাস শরবত বিক্রি করতাম। এখন প্রতিদিন ৮০ থেকে ১০০ গ্লাস শরবত বিক্রি হয়। এথেকে তাও ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা লাভ হয়। সংসারে এক মেয়ে এক ছেলে। ভোগমানের কৃপায় স্ত্রী সন্তানদের নিয়ে অনেক ভাল আছি।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....
© All rights reserved © jknewstv.com
Developed By Rinku
themes254654365664
error: Content is protected !!