সোমবার, ৩০ নভেম্বর ২০২০, ০১:০৪ পূর্বাহ্ন
ঘোষনা :
জেকে টিভি'র জন্য জেলা ও উপজেলা প্রতিনিধি নিয়োগ দেওয়া হবে।  আগ্রহীরা ছবি ও যোগ্যতাসহ জীবন বৃত্তান্ত (সি.ভি)  পাঠান। ই-মেইল: jktv1401@gmail.com

ভেড়ামারায় গৃহবধূ মিম আক্তার অপমৃত্যু মামলা !

কুষ্টিয়া প্রতিনিধি :
  • আপডেট টাইম : সোমবার, ২২ জুন, ২০২০
  • ৭৪ বার নিউজটি পড়া হয়েছে

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার ধরমপুর গ্রামে স্বামী গৃহে গৃহবধূ মীম আক্তারের রহস্যজনক মৃত্যু অতঃপর মৃত গৃহবধূর স্বামীর রহস্যজনক আচরণের কারনে জনমনে ডালপালা মেলেছে শতেক প্রশ্নের। মিমের লাশ ময়নাতদন্তের পর মিমের পৈতৃক গ্রামে দাফন করা হয়। কিন্ত মিমের যৌতুকলোভী স্বামী সাগর মিমের চেহারা শেষবারের মত দেখার জন্য আর তার শ্বশুর বাড়ি যাননি।যেহেতু এটি একটি হত্যা না আত্মহত্যা সে বিষয়ে ময়য়নাতদন্ত রিপোর্টের উপরে আমরা নির্ভরশীল তাই আগ বাড়িয়ে এটিকে স্পষ্টতঃ কোন হত্যাকান্ড বলে সরাসরি অভিহিত না করে আমাদের জন্য প্রশ্নের উত্তরগুলো খুঁজে ফেরায় অধিক যুক্তিসঙ্গত। যেমন, মিমকে যখন হাসপাতালে নেয়া হয় সেখানে ডাক্তাররা তাকে মৃত অবস্থায় পেয়েছিলেন।

অর্থ্যাৎ জীবিত বা মুমূর্ষু মিমকে হাসপাপাতালে নেয়া হয়নি। মৃত অবস্থায় মিমকে হাসপাতালে নেয়া হয়েছে পরিকল্পনার অংশ হিসেবে। যাতে করে প্রকৃত সত্যকে আড়াল করা যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে অনুসন্ধানে মিমকে মেরে ফেলা হয়েছে এমন কোন সাক্ষ্য প্রমাণ পাওয়া যায়নি।মিমের শাশুড়ি সংবাদ মাধ্যমের কাছে বলেছেন, মিম শোবার ঘরে গলায় ওড়না পেচিয়ে ডাপের সাথে ঝুলে আত্মহত্যা করেছে। তাহলে এখানে শুভংকরের একটি ফাঁকি লক্ষ্য করা যায় আর সেটা হলো পুলিশে খবর না দিয়ে লাশ কেন নামানো হলো? দ্রুত মিমের লাশ নিয়ে কেন হাসপাতাল পর্যন্ত পৌছানোর নাটক করা হলো? মিমের স্বামী সাগর নিজ বাড়ি থেকে ঝামেলা সরিয়ে দিতে ও মূল ঘটনাটিকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করার উদ্দেশ্যে অথবা ঘটনাস্থল পাল্টে দেয়ার চক্রান্ত বা পরিকল্পনার অংশ হিসেবে মিমকে হাসপাতাল পর্যন্ত নেয়া হয়েছিল কিনা, সেই বিষয়টি গভীরভাবে খতিয়ে দেখার বিশেষ প্রয়োজন আছে। অপমৃত্যু মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা ভেড়ামারা থানার এসআই হুমায়ুন কবির এই প্রতিবেদককে বলেন, মিমকে মৃত অবস্থায় হাসপাতালে নেয়া হয়। ভেড়ামারা সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আল-বেরূনী, অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ্ জালালসহ তিনি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং সব কিছু খতিয়ে দেখার চেষ্টা করেছেন। মিমকে হাসপাতালে নেয়ার সময় পথিমধ্যে তার মৃত্যু হয়ে থাকতে পারে বলে আপাততঃ ধারনা করছেন তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ।

মৃত মিমের কোন সন্তানাদি নেই। প্রেমের বিয়ে মিম ও সাগরের। স্বভাবতই এই দম্পতির জীবন সুখের হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু কি এমন ঘটনা ঘটলো যাতে মিমকে আত্মহত্যার পথ বিছে নিতে হলো? মিম কি সত্যি সত্যি আত্মহত্যা করেছে? নাকি হত্যার পর প্রথমে তাকে ওড়না দিয়ে ডাপের সাথে ঝুলিয়ে দিয়ে পরে তারাই আবার লাশ নিয়ে নতুন নাটকের অংশ হিসেবে জন্যে হাসপাতালস্থ করা হয়েছে? সব মিলিয়ে ঘটনাটি জটিল ধাঁধার সৃষ্টি করেছে। তবে হত্যার বিষয়টি এখনই উড়িয়ে দিতে চাননা তদন্তকারী কর্তৃপক্ষ।

ভেড়ামারা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শাহ্ জালাল সাংবাদিকদের কাছে বলেছেন, ময়না তদন্ত রিপোর্টের ভিত্তিতেই ঘটনাটির বিষয়ে পরবর্তী আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করবে পুলিশ।

নিউজটি শেয়ার করুন..

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এ জাতীয় আরো খবর ....
© All rights reserved © jknewstv.com
Developed By Rinku
themes254654365664
error: Content is protected !!